A Learning Place For Everyone

মিডিয়াম ট্রান্সমিশন লাইনে নমিনাল ‘T’ পদ্ধতিতে ভোল্টেজ এবং কারেন্ট সমীকরণ

0 21

যে পদ্ধতিতে মিডিয়াম ট্রান্সমিশন লাইনের মোট রেজিস্ট্যান্স ও ক্যাপাসিট্যান্সকে অর্ধেক হিসাবে সরবরাহ প্রান্তে ও বাকি অর্ধেক গ্রহণ প্রান্তে দেখানো হয়। এছাড়াও লাইনের মোট ক্যাপাসিট্যান্স একত্রীভূত অবস্থায় লাইনের মাঝখানে বিবেচনা করা হয়। তাকে নমিনাল T পদ্ধতি বলে৷

এ পদ্ধতিতে লাইনের সমস্ত রেজিস্ট্যান্স ও ইন্ডাকট্যান্স সমান দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে প্রেরক ও গ্রহণ প্রান্তে লাইনের দৈর্ঘ্য বরাবর বিন্যস্ত থাকে আর মোট ক্যাপাসিট্যান্স লাইনের মাঝখানে কেন্দ্রীভূত থাকে বলে মনে করা হয়।

অর্থাৎ লাইনের মোট রেজিস্ট্যান্স R-কে সরবরাহ প্রান্তে অর্ধেক ( frac{R}{2} ) এবং গ্রাহক প্রান্তে অর্ধেক এবং লাইনের মোট ইন্ডাকট্যান্স (L) বা ইন্ডাকটিভ রিয়্যাকট্যান্স ( X_L ) এর অর্ধেক (( frac{L}{2} ) বা ( frac{X_L}{2} )) সরবরাহ প্রান্তে এবং বাকি অর্ধেক গ্রাহক প্রান্তে ধরে হিসাব করা হয়৷ এ পদ্ধতিতে লাইনের মোট ক্যাপাসিট্যান্স বা ক্যাপাসিটিভ রিয়্যাকট্যান্স ( X_C ) একত্রীভূত অবস্থায় লাইনের মাঝখানে বিবেচনা করা হয়। নিচের সার্কিটটি লক্ষ্য করুন।

উপরোক্ত চিত্রানুযায়ী ধরি,

V_R = প্রতি ফেজের লোড ভোল্টেজ,

I_R = প্রতি ফেজের লোড কারেন্ট,

R = প্রতি ফেজের রেজিস্ট্যান্স,

X_L = প্রতি ফেজের ইন্ডাকটিভ রিয়্যাকট্যান্স,

C = প্রতি ফেজের ক্যাপাসিট্যান্স,

Cosphi _R = গ্রহণ প্রান্তের পাওয়ার ফ্যাক্টর, ( ল্যাগিং)

V_S = প্রেরণ প্রান্তের ভোল্টেজ,

V_1 = ক্যাপাসিটর C এর আড়াআড়ি ভোল্টেজ

উপরের প্রদর্শিত সার্কিটের উপর ভিত্তি করে নিচের ভেক্টরটি অংকিত হল, যেখানে গ্রহণ প্রান্তের ভোল্টেজ overrightarrow{V_R} -কে রেফারেন্স ভেক্টর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

নমিনাল টি পদ্ধতিতে উপরের চিত্র থেকে  আমরা পাই,

গ্রহণ প্রান্তের ভোল্টেজ, overrightarrow{V_R} = V_R + J0

Best Articles For You
1 of 6

লোড কারেন্ট,  overrightarrow{I_R} = I_R left(cosphi_R - jsinphi_Rright)

ক্যাপাসিটর C এর আড়াআড়ি ভোল্টেজ,

begin{array}{l}overrightarrow{V_1}=overrightarrow{V_R} + overrightarrow{I_R}.overrightarrow{frac{Z}{2}} =V_R + j0 + I_R left(cosphi_R - jsinphi_Rright)end{array}

ক্যাপাসিটিভ ক্যারেন্ট, overrightarrow{I_C} = jomega Coverrightarrow{V_1} = j2pi fCoverrightarrow{V_1}

প্রেরণ প্রান্তের কারেন্ট, overrightarrow{I_S} = overrightarrow{I_R} + overrightarrow{I_C}

প্রেরণ প্রান্তের ভোল্টেজ, overrightarrow{V_S} = overrightarrow{V_1} + overrightarrow{I_S} . overrightarrow{frac{Z}{2}} = overrightarrow{V_1}+ overrightarrow{I_s}left(frac{R}{2} + jfrac{X_L}{2}right)

প্রেরণ প্রান্তের পাওয়ার ফ্যাক্টর, cosphi_S=cosleft(phi_{1 }+ phi_2right)

এখানে,

phi_1 = overrightarrow{V_R} overrightarrow{V_S} এর মধ্যবর্তী কোণ

এবং phi_2 = overrightarrow{I_S} overrightarrow{V_R} এর মধ্যবর্তী কোণ

সুতরাং phi_2 = tan^{-1} =frac{overrightarrow{V_S } এর X কম্পোন্টে}{overrightarrow{V_S} এর Y কম্পোন্টে}

নমিনাল T পদ্ধতিতে ভোল্টেজ রেগুলেশন

ভোল্টেজ রেগুলেশন করার সময় প্রেরণ প্রান্তের ভোল্টেজ V_S -কে স্থির রেখে গ্রহণ প্রান্তে নো-লোড ভোল্টেজ V_R V -কে অবশ্যই হিসাব করতে হবে এবং সেক্ষেত্রে নমিনাল T পদ্ধতির সার্কিটটি নিম্নলিখিত ধরনের হবে।

এখন নমিনাল T পদ্ধতির জন্য-

% রেগুলেশন = frac{V_Rprime-V_R}{V_R} times 100

নির্দিষ্ট দক্ষতার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত সূত্র প্রযোজ্য হবে –

% দক্ষতা left(etaright) = frac{গ্রহণ প্রান্তের পাওয়ার}{প্রেরণ প্রান্তের পাওয়ার}times 100

আরও পড়ুন>>

Leave a comment

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More