A Learning Place For Everyone

সুইচগিয়ার কি? কত প্রকার? এর উপাদানগুলো কি?

0 103

সুইচগিয়ারঃ অস্বাভাবিক অবস্থায় যেকোনো বিপদে বৈদ্যুতিক সিস্টেমে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতি তথা গোটা সিস্টেমকে স্থায়ী ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য এবং খুব দক্ষ ও নিখুঁতভাবে অল্প সময়ে ত্রুটিপূর্ণ অংশকে সুস্থ (ত্রুটিমুক্ত) অংশ হতে আলাদা করার সার্বিক ব্যবস্থাকে প্রটেকশন স্কিম বলে। ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ শক্তির চাহিদা পূরণের জন্য বর্তমানে ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত সিস্টেম ব্যবহার করে ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। বর্ধিত ক্ষমতায় সিস্টেমকে নিপুণভাবে যথাসময়ে ত্রুটির কবল থেকে রক্ষা করার জন্য সুইচগিয়ার এবং প্রটেক্টিভ ডিভাইসসমূহের কার্যকরী ব্যবহার অপরিহার্য।

সুইচগিয়ার কি?

সুইচগিয়ার একটি সুইচিং ব্যবস্থা ও নিয়ন্ত্রণকারী যন্ত্র। সুইচগিয়ার কোনো একক বস্তুকে বুঝায় না। এটি বৈদুৎতিক সিস্টেমের স্বাভাবিক কার্যকলাপের সংযোগকারী, বিচ্ছিন্নকারী, রক্ষণাবেক্ষণকারী, নিয়ন্ত্রণকারী, পাঠদানকারী ও ভারসাম্য রক্ষাকারী, যন্ত্রপাতির সহঅবস্থানকে বুঝায়। তদুপরি এদের নিজের মধ্যে সংযোগ ব্যবস্থা ও আনুুষঙ্গিক ইকুইপমেন্ট-এর সহঅবস্থানের ব্যবস্থাপনাকেও বুঝায়।

বৈদ্যুতিক পাওয়ার সিস্টেমকে শর্ট সার্কিট এবং অন্যান্য ত্রুটিজনিত ক্ষতির হাত হতে রক্ষার জন্য ব্যবস্থা রাখতে হয়। এ কাজের জন্য সুইচগিয়ার ব্যবহার করা হয়, যার সাহায্যে ঐ ক্ষতিকারক প্রভাব নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। তাছাড়া স্বাভাবিক ও অস্বাভাবিক অবস্থায় কোনো নির্দিষ্ট এলাকার পাওয়ার সিস্টেমকে এর সাহায্যে ‘অন’ বা ‘অফ’ করে দেওয়া যায়। সুইচগিয়ার বলতে সাধারণভাবে সুইচিং ব্যবস্থা (Switching device), সংশ্লিষ্ট রেগুলেটিং (Regulating), আরক্ষ (Protective) ও মাপার (Measuring) সরঞ্জাম এবং ঐ সব সরঞ্জাম বসানোর কাঠামো ও কানেকশনের সমষ্টিকে বুঝায়।

বিভিন্ন প্রকার সুইচগিয়ার-এর তালিকা

ভোল্টেজ অনুযায়ী সুইচগিয়ারকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়, যথাঃ লো-ভোল্টেজ সুইচপিয়ার (LT Switchgear)  এবং হাই-ভোল্টেজ সুইগিয়ার (HT Switchgear)। ব্যবহারিক ক্ষেত্র অনুযায়ী হাই ভোল্টেজ সুইগিয়ারকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়, যথাঃ ইনডোর টাইপ সুইচগিয়ার  এবং আউটডোর টাইপ সুইচগিয়ার।

১। ইনডোর টাইপ সুইচগিয়ারঃ অর্থনৈতিক দিক বিবেচনা করে 66 কেজি এর নিচের ভোল্টেজের জন্য ইনডোর টাইপ সুইচ গিয়ার ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের সুইচ গিয়ারগুলো সাধারণত ধাতব আবৃত বা মেটাল ক্লাড (Metal clad) টাইপ হয়ে থাকে। এগুলোকে অর্থ মেটার কেজিং (Earth metal casing) দ্বারা ভালমতো আবৃত করা হয়। নিচে একটি ইনডোর টাইপ সুইচ গিয়ার দেখানো হলো;

indoor type switchgear

২। আউটডোর টাইপ সুইচগিয়ারঃ 66 কেজি এর বেশি ভোল্টেজের জন্য আউটডোর টাইপ সুইচ গিয়ার ব্যবহার করা হয়। কারণ উচ্চ ভোল্টেজে সুইচ গিয়ারে ব্যবহৃত পরিবাহী, সার্কিট ব্রেকার, (Circuit breaker) সুইচ, ট্র্যান্সফরমার এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতির মধ্যে বেশি খালি জায়গা (Space) রাখতে হয়, তাই এই ক্ষেত্রে ইনডোর যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা ফলপ্রসূ নয়। নিচে একটি আউটডোর টাইপ সাবস্টেশন দেখানো হলো;

outdoor type switchgear

সুইচগিয়ারের উপাদানের তালিকা

সুইচগিয়ারে ব্যবহৃত বিভিন্ন ইকুইপমেন্টের তালিকা নিচে দেওয়া হলো-

১। সুইচ (Switch): (ক) Isolator, (খ) Air-break switch ও (গ) Oil Switch

২। ফিউজ (Fuse) :

(ক) Low ভোল্টেজ ফিউজ;

(i) Semi-enclosed rewireable fuse.

(ii) HRC cartidge fuse

(iii) HRC fuse with tripping device

(খ) High ভোল্টেজ ফিউজ;

(i) Cartridge type

(ii) Liquid type

(iii) Metal clad fuse

Best Articles For You
1 of 2

৩। সার্কিট ব্রেকারঃ

(ক) Air Circuit Breacker

(খ) Oil Circuit Breacker

(গ) Air Blast Circuit Breacker

(ঘ) SF Circuit breacker

(ঙ)Vacuuam Circuit Breacker

৪। প্রটেক্টিভ রিলে

প্রায়সই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর

সুইচগিয়ার পধানত কত পকার?

সুইচগিয়ার পধানত ২ প্রকার।

সুইচগিয়ার-এর পধান উপাদান কয়টি ও কি কি?

সুইচগিয়ারের পধান উপাদান ২ টি। যথা-

১। সার্কিট ব্রেকার এবং

২। রিলে।

ভালো ‍সুইচগিয়ারের বৈশিষ্ট্যগুলো কি কি?

ভালো ‍সুইচগিয়ারের বৈশিষ্ট্যগুলো হলঃ

১। ‍সনাক্তকরণ,

২। সংবেদনশীলতা,

৩। বিশ্বস্ততা,

৪। উচ্চগতি,

৫। স্থায়ীত্বতা এবং

৬। সরলতা।

কত কেভি পর্যন্ত ইনডোর সুইচগিয়ার ব্যবহৃত হয়?

সাধারণত ৬৬ কেভি পর্যন্ত ইনডোর সুইচগিয়ার ব্যবহৃত হয়।

Leave a comment

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More